মূল অংশে যান

সার্জারি

হার্নিয়ার চিকিৎসা

পেটের দেয়ালের দুর্বল জায়গা দিয়ে নাড়ি বা চর্বি বেরিয়ে এসে ফোলা তৈরি হলে তাকে হার্নিয়া বলে। প্রাপ্তবয়স্কদের হার্নিয়া নিজে থেকে সারে না। সাধারণত অপারেশনের মাধ্যমে এর চিকিৎসা করা হয়।

হার্নিয়ার চিকিৎসা

রোগ সম্পর্কে

হার্নিয়া সবচেয়ে বেশি দেখা যায় কুঁচকিতে (ইনগুইনাল হার্নিয়া), নাভির চারপাশে (আম্বিলিক্যাল ও প্যারাআম্বিলিক্যাল হার্নিয়া) এবং আগের অপারেশনের কাটা জায়গায় (ইনসিশনাল হার্নিয়া)। ভারী জিনিস তোলা, দীর্ঘদিনের কাশি, কোষ্ঠকাঠিন্য, অতিরিক্ত ওজন ও গর্ভাবস্থায় পেটের দেয়ালে বাড়তি চাপ পড়ে।

চিকিৎসা

বেশিরভাগ হার্নিয়ার অপারেশনে দুর্বল জায়গাটি মেশ দিয়ে মজবুত করা হয়। হার্নিয়ার ধরন ও আকার অনুযায়ী অপারেশন ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে বা ওপেন সার্জারিতে করা হয়। রোগীকে পরীক্ষা করে এবং প্রয়োজনে আলট্রাসনোগ্রাম করিয়ে সার্জন উপযুক্ত পদ্ধতি ঠিক করেন।

সাধারণ লক্ষণ

  • কুঁচকিতে, নাভির চারপাশে বা পুরোনো কাটা দাগের কাছে নরম ফোলা
  • কাশি দিলে, কোঁত দিলে বা দাঁড়ালে ফোলা বাড়ে, শুয়ে থাকলে ভেতরে ঢুকে যেতে পারে
  • জায়গাটিতে ভার ভার লাগা, টান ধরা ব্যথা বা অস্বস্তি

কখন ডাক্তার দেখাবেন

  • ফোলা জায়গা হঠাৎ ব্যথা করছে, শক্ত হয়ে গেছে বা আর ভেতরে ঢুকছে না
  • হার্নিয়ার সঙ্গে বমি, পেট ফুলে যাওয়া বা পায়খানা ও বায়ু বন্ধ হয়ে যাওয়া (দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন)
  • ফোলার ওপরের চামড়া লাল বা কালচে হয়ে যাওয়া

তীব্র ব্যথা, বমি, জ্বর বা বেশি রক্তক্ষরণ হলে দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।

এই পাতার তথ্য সাধারণ ধারণার জন্য। ডাক্তারের সরাসরি পরামর্শের বিকল্প নয়।

ডাক্তার দেখাতে চান?

অনলাইনে অনুরোধ পাঠালে চেম্বার থেকে ফোন করে সময় নিশ্চিত করা হবে। চাইলে সরাসরি চেম্বারে ফোন করেও সিরিয়াল দিতে পারেন।

কল করুনঅ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন